শ্রীলঙ্কার বিদায়ী প্রেসিডেন্ট বিক্রমসিঙ্ঘে পেয়েছেন ১৭.২৭ শতাংশ ভোট। ভোট শতাংশের নিরিখে তিনি রয়েছেন তৃতীয় স্থানে। পার্লামেন্টের বিরোধী দলনেতা সাজিথ প্রেমদাসা রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে।
Anura Kumara Dissanayake
প্রাথমিক গণনায় যে ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল, তা বহাল রইল শেষ পর্যন্ত। ব্যালট বাক্স বন্ধ করার পর ভোট-ফলাফল বলছে, শ্রীলঙ্কার নতুন প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন বামপন্থী নেতা অনুরাকুমার দিশানায়েকে। নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকা ৩৮ জন প্রার্থীর মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন বামপন্থী জোট পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট (জেভিপি)-এর নেতা দিশানায়েকেই (৪২.৩১ শতাংশ)।
World
Marxist leader Anura Kumara Dissanayake is new Sri Lanka's president dgtl
Sri Lanka President Election
শ্রীলঙ্কার নতুন প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন বামপন্থী দিশানায়েকে, সমর্থন খুইয়ে তৃতীয় স্থানে বিক্রমসিঙ্ঘে
শ্রীলঙ্কার বিদায়ী প্রেসিডেন্ট বিক্রমসিঙ্ঘে পেয়েছেন ১৭.২৭ শতাংশ ভোট। ভোট শতাংশের নিরিখে তিনি রয়েছেন তৃতীয় স্থানে। পার্লামেন্টের বিরোধী দলনেতা সাজিথ প্রেমদাসা রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে।
প্রাথমিক গণনায় যে ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল, তা বহাল রইল শেষ পর্যন্ত। ব্যালট বাক্স বন্ধ করার পর ভোট-ফলাফল বলছে, শ্রীলঙ্কার নতুন প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন বামপন্থী নেতা অনুরাকুমার দিশানায়েকে। নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকা ৩৮ জন প্রার্থীর মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন বামপন্থী জোট পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট (জেভিপি)-এর নেতা দিশানায়েকেই (৪২.৩১ শতাংশ)।
অন্য দিকে, দেশের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিঙ্ঘে পেয়েছেন মাত্র ১৭.২৭ শতাংশ ভোট। ভোট শতাংশের নিরিখে তিনি রয়েছেন তৃতীয় স্থানে। শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্টের বিরোধী দলনেতা সাজিথ প্রেমদাসা ৩২.৭৬ শতাংশ ভোট পেয়ে রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত বিক্রমসিঙ্ঘের তরফে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। এখনও তিনি পরাজয়ও স্বীকার করেননি। তবে দেশের বিদেশমন্ত্রী আলি সাব্রি বলেছেন, “ভোটের ফলে স্পষ্ট যে, দিশানায়েকেই জয়ী হয়েছেন।”
প্রসঙ্গত, পাঁচ বছর আগে, ২০১৯ সালে হওয়া শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মাত্র তিন শতাংশ ভোট পেয়েছিল দিশানায়েকের নেতৃত্বাধীন বামজোট। মাত্র পাঁচ বছরে দেশের মানুষের মনোভাবের এই আমূল বদলের কারণ হিসাবে শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক টালমাটাল পরিস্থিতির কথা বলছেন অনেকে। ২০২২ সালে প্রবল বিক্ষোভের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপক্ষে এবং তাঁর ভাই প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে। পার্লামেন্ট সদস্যদের ভোটাভুটিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়েছিলেন রনিল। কিন্তু যে অর্থনৈতিক সঙ্কট রাজাপক্ষের বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভকে উস্কে দিয়েছিল, তা খুব বেশি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি রনিল। তাই রনিলের নেতৃত্বে অনাস্থা জ্ঞাপন করে ৫৬ বছরের দিশানায়েককে লঙ্কাবাসী প্রেসিডেন্ট হিসাবে বেছে নিলেন বলে মনে করা হচ্ছে।
Comments
Post a Comment